ভিডিও নিয়ে যা হচ্ছে, তা এক কথায় জঘন্য...Seemore
ভিডিও নিয়ে যা হচ্ছে, তা এক কথা জঘন্য...Seemore
সোনালী ব্যাংক পিএলসির ঘাঘর শাখার ক্যাশ অফিসার ফৌজিয়া হককে ঘিরে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। ভিডিওটি ঘিরে যে ধরনের হেনস্তা ও আক্রমণাত্মক আচরণের অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে।জানা গেছে, ব্যাংকের ওই শাখায় টাকা তুলতে গিয়ে গ্রাহক আল-আমিন শেখ তাঁর হিসাবে ৪ হাজার ৫০০ টাকা কম থাকার অভিযোগ করেন। বিষয়টি নিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্যাশ ক্লোজ করার পর হিসাব ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে প্রকৃত বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে গ্রাহকের টাকা ফেরত দেওয়া হয়। তবে এর আগেই কয়েকজন ক্যামেরাধারী ব্যক্তি ব্যাংকের ভেতরে গিয়ে ফৌজিয়া হককে প্রশ্ন করার একটি ভিডিও ধারণ করেন, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ নিয়ে সমালোচকদের দাবি, একটি ক্যাশ মিসম্যাচের ঘটনাকে যাচাই-বাছাইয়ের আগেই বড় ধরনের অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে একজন ব্যাংক কর্মকর্তার পেশাগত সম্মান ও মানসিক অবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও মন্তব্য করছেন অনেকে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ক্যাশ কাউন্টারে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ টাকা লেনদেন হয়। ব্যস্ততার মধ্যে হিসাবের ভুল বা কোনো বান্ডিল অন্য টাকার সঙ্গে মিশে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। তাই অভিযোগ উঠলেই কাউকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা উচিত—এমন মতও উঠে এসেছে।
সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠছে, একটি অভিযোগের ভিডিও ধারণ করে সেটিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে একজন নারীর পেশাগত ও সামাজিক সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করা কতটা গ্রহণযোগ্য?
অনেকে বলছেন, সাংবাদিকতা কিংবা কনটেন্ট তৈরির নামে কাউকে অপমান বা হেনস্তা করার সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া দরকার। অভিযোগ সত্য না মিথ্যা—তা তদন্ত ও প্রমাণের মাধ্যমেই নির্ধারিত হওয়া উচিত।

Comments
Post a Comment